রবিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:২৭ পূর্বাহ্ন
রাকিব শান্ত, উত্তরবঙ্গ ব্যুরো প্রধানঃ
এক দম্পতি ও তাদের সঙ্গে থাকা অপরিচিত ৩/৪ জন ব্যক্তির দ্বারা অতর্কিত হামলা ও হেনস্তার স্বীকার হয়ে সদর থানায় অভিযোগ করেছেন বগুড়া পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর দেলোয়ার হোসেন পশারী হিরু।
থানার অভিযোগ সূত্র ও কাউন্সিলরের বক্তব্যে জানা যায়, ৭ নং ওয়ার্ড এর অন্তর্ভুক্ত জলেশ্বরীতলা বনমালী দেব লেনের একজন বাসিন্দা কিছুদিন আগে পৌরসভায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। সেখানে তিনি বলেন যে, তার প্রতিবেশী জোর করে তাঁর সীমানা দিয়ে ড্রেন নির্মাণ করতে চান। অভিযোগ পেয়ে বিষয়টি জানার জন্যে তিনি জনপ্রতিনিধি হিসেবে উক্ত স্থানে যান। এসময়ে জোর করে অন্যের সীমানায় ড্রেন করতে চাওয়া জাহিদ ফেরদৌস ও তাঁর স্ত্রী ক্ষুব্ধ হয়ে তর্কাতর্কি ও অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে সেখান থেকে কাউন্সিলর কে চলে যেতে বলেন। এসময়ে অন্যায় ও জোর করে অন্যের সীমানায় ড্রেন করতে চাওয়ার কারণ জিজ্ঞেস করলে উক্ত দম্পতি একপর্যায়ে কাউন্সিলর এর উপরে অতর্কিত আক্রমণ করে ও গেঞ্জির কলার ধরে টানাহেঁচড়া করে মাটিতে ফেলে দেন। পরে অন্যান্য লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করেন। কাউন্সিলর হিরু আরও জানান, এ ঘটনায় তিনি হকচকিয়ে যান এবং এর মধ্যে ষড়যন্ত্রের আভাস পেয়ে তৎক্ষনাৎ হামলা ও হেনস্থাকারী উক্ত দম্পতি ও তাদের সহযোগিদের বিরুদ্ধে সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।
এদিকে রবিবার সদর থানায় অভিযোগ দাখিলের ২ দিন পরে মঙ্গলবার তিনি জানতে পারেন যে, তার উপরে হামলাকারী স্বামী-স্ত্রী তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে জানতে পেরে নিজেদের অন্যায় ঢাকার জন্যে এখন উল্টো তার বিরুদ্ধেই বিভিন্ন অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।
অভিযুক্ত নারী জানান, তার বাসাবাড়ির সীমানা নিয়ে প্রতিবেশীর সঙ্গে বিরোধের জেরে পৌর কাউন্সিলর রবিবার বিকেলে তার বাসায় এসে তাঁর স্বামীকে অকথ্য গালমন্দ করেন। এতে বাধা দিলে কাউন্সিলর তাঁকেও গালমন্দ করে মাটিতে ফেলে দেয়। মারপিটে তাঁর স্বামী আহত হলে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেলিম রেজা জানান, পৌর কাউন্সিলরের উপরে হামলার লিখিত অভিযোগ তিনি পেয়েছেন। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।