বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৯:৪৯ অপরাহ্ন
ঠাকুরগাঁও:তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড.হাছান মাহমুদ বলেছেন,বিএনপি নির্বাচনকে ভয় পায়।কারণ তাদের সন্ত্রাস আশ্রিত রাজনীতি এবং জ্বালাও পোড়াও রাজনীতির কারণে তারা জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।এছাড়াও বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমান দুজনই শাস্তিপ্রাপ্ত আসামী।যেহেতু তাদের নেতা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না সে কারণে নির্বাচনে তাদের আগ্রহ নেই।সেজন্য তারা তাদের দলকেও নির্বাচনমুখি করতে চায় না।জনগণ হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় তারা তাদের পরাজয় অনেকটা নিশ্চিত হয়েছে।তিনি বুধবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদ(বিডিহলে) জেলা আওয়ামীলীগের আয়োজিত বর্ধিত সভায় উপরোক্ত কথা বলেন।
ড. হাসান মাহমুদ আরো বলেন,বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও রেজভী সম্পর্কে বলেন,তারা সারাদিন শুধু আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে আবোল তাবোল কথা বলে।রেজভী সাহেব নয়া পল্টনের দলীয় অফিসে বসে থাকে।সেখানে খায় , সেখানে ঘুমায়। সে কারণে তারা দেশের অবস্থা জানে না।দলীয় অফিসে বসে থাকতে থাকতে তাদের মেজাজ খিটখিটে হয়ে গেছে।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মিডিয়ার সামনে বক্তব্য দিতে গিয়ে জনগনকে বিভ্রান্ত করতে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রনের ব্যাপারে যেসব অভিযোগ করছে তা সঠিক নয়।কারণ সাম্প্রতিক রুশ -ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে এবং করোনার কারণে সমস্ত পৃথিবীতে অনেকগুলো পন্যের দাম বেড়েছে। বাংলাদেশেও কয়েকটি পন্যের দাম বেড়েছে।বাংলাদেশ সরকার দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রনে কাজ করছে।যাতে স্বল্পমূলে সাধারণ মানুষ কমমূল্যে পন্য কিনতে পারে সেজন্য টিসিবির আওতা বাড়ানো হয়েছে।কোটি মানুষকে কমদামে পন্য দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে এই সরকার।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে বিএনপির বড় ব্যবসায়ীরা জড়িত বলে মন্তব্য করে বলেন,যেসব অসাধু ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃতভাবে পন্যের দাম বাড়িয়ে ফায়দা লুটার চেষ্টা করবে তাদের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর ব্যবস্থা গ্রহনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুহ.সাদেক কুরাইশির সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন,বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শফিক,এড.হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া,এফভোকেট সফুরা বেগম রুমি,,ঠাকুরগাঁও -২ আসনের এমপি আলহাজ্জ দবিরুল ইসলাম,,জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক দীপক কুমার রায় প্রমুখ।
বর্ধিত সভায় ঠাকুরগাও জেলার ৬ সাংগঠনিক থানার নেতৃবৃন্দ এবং সদর উপজেলা আওয়ামামীলীগের বিভিন্ন ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।