ওয়েব ডেস্ক: কতিপয় লোক পুরো বন্দরকে জিম্মি রাখার চেষ্টা করছে উল্লেখ করে নৌপরিবহন উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, সরকার হার্ডলাইনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
উপদেষ্টা জানান, বন্দর নিয়ে চুক্তি করতে ডিপি ওয়ার্ল্ড আরও সময় চায়। প্রয়োজন হলে নির্বাচনের পরেও নেগোসিয়েশন চলবে।
তিনি বলেন, কতিপয় লোক পুরো চট্টগ্রাম বন্দর জিম্মি রাখার চেষ্টা করছে। তারা এখন নতুন নতুন দাবি নিয়ে আসছে। পলিটিক্যাল ইলেকশন আর কয়েকদিন পরে, ওই ইনস্টিটিউটের সঙ্গে তারা একটা গণ্ডগোল সৃষ্টি করছে। এটা নির্বাচন কমিশনের দেখার ব্যাপার। আমি সিইসিকে অনুরোধ করেছি। কারণ, নির্বাচনটা যদি ওখানে ঠিকমতো না হয় এটা নিয়ে সমগ্র দেশের নির্বাচন নিয়ে কথা উঠবে। আমরা এই সরকার অত্যন্ত স্পষ্ট, আমরা কোনো ধরনের নির্বাচন মনিটরিং করছি না। কিন্তু আমরা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
তিনি বলেন, এরকম যদি করতে থাকে এবং একই সময়ে তারা পুরো বন্দর জিম্মি রাখার চেষ্টা করছে, কতিপয় লোক। এখানে সামনে রোজা, আমরা যেখানে প্রতিনিয়ত অভিযান চালাচ্ছি, সেখানে আউটার জাহাজে পড়ে আছে ছোলা, ডাল, তেল। তারা এভাবে ১৮ কোটি মানুষকে জিম্মি রেখেছে। এটা চলতে দেওয়া যায় না।
উপদেষ্টা বলেন, সবকিছু বিবেচনায় সরকার হার্ড লাইনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এরইমধ্যে কয়েকজনকে ধরা হয়েছে, বাকিদেরও ধরা হবে। পোর্ট চালু করতে কেউ যদি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোনো বাধা বা কিছু করে তাহলে তাকে ধরা হবে।
রমজান সামনে রেখে কী করা হচ্ছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, রমজানকে সামনে রেখে তো বটেই, আমি রমজানের কথা আগে বলেছি। পোর্ট চালু নেই, পোর্ট চালু হবে। ১৮ কোটি লোককে জিম্মি রাখা যায় না। এখন তাদের যে দাবি, সেটা অত্যন্ত সিলি দাবি। অমুককে সরাইতে হবে তমুককে নিয়ে আসতে হবে। এটা করতে হবে ওটা করতে হবে। কমপেনসেশন দিতে হবে। হোয়াট ইজ দিস?
ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি হবে কি না জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, ডিপি ওয়ার্ল্ডের ব্যাপারে অত্যন্ত পরিষ্কার। ডিপি ওয়ার্ল্ডের ব্যাপারে আলোচনা এখনো চলমান এবং ডিপি ওয়ার্ল্ড প্রধান উপদেষ্টাকে একটা চিঠি দিয়েছে। তারা আরো সময় চায়। যেহেতু আমরা যেভাবে যেই জায়গায় আছি সেই জায়গায় আসতে তাদের আরো সময় প্রয়োজন। এই নেগোসিয়েশন চলবে, ইভেন নির্বাচনের পরেও চলবে প্রয়োজনে।