ওয়েব ডেস্ক: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে ভোটগ্রহণের দিন প্রতি ২ ঘণ্টা পরপর ভোট দেওয়ার হার এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রতিবেদন পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে এই নির্দেশনা জারি করা হয়।
পরিপত্র অনুযায়ী, ভোটগ্রহণের দিন সকাল সাড়ে ৭টায় থেকে শুরু করে বেসরকারি ফল না পাওয়া পর্যন্ত এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
ইসি জানায়, রিটার্নিং অফিসারদের কাছ থেকে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে ভোটগ্রহণ চলাকালে নির্বাচনী পরিবেশ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, প্রতি ২ ঘণ্টা অন্তর অন্তর ভোট দেওয়ার হার, ভোটগ্রহণ শেষে প্রিজাইডিং অফিসার থেকে প্রাপ্ত ভোট গণনার বিবরণী পাঠাতে হবে। এবারের নির্বাচনে ফল দ্রুত ও নির্ভুলভাবে আদান-প্রদানের জন্য EMS (Election Management System) সফটওয়্যার ব্যবহার করা হবে। সহকারী রিটার্নিং অফিসাররা তাদের নির্ধারিত কেন্দ্রের ফল এন্ট্রির জন্য দুইজন করে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর নিয়োগ করবেন। এই অপারেটররা কেন্দ্রভিত্তিক ফল (ফরম-১৬) স্ক্যান ও আপলোড করবেন।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, কোনো আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী যদি কোনো পোস্টাল ভোট না-ও পান, তবুও ফলাফলে তা ‘শূন্য’ (০) লিখে এন্ট্রি করতে হবে। চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার সময় পোস্টাল ভোটের হিসাব পদ্ধতিগতভাবে একীভূত করে ফরম-১৮ তে সন্নিবেশ করতে হবে।
পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ফলাফল গেজেটে প্রকাশের সুবিধার্থে একীভূত ফলাফল বিবরণী (ফরম-১৮) ও নির্বাচনের রিটার্ন (ফরম-১৯)-সহ প্রয়োজনীয় নথিপত্র আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি মধ্যে অবশ্যই নির্বাচন কমিশনে হার্ড কপি ও সফট কপি আকারে পাঠাতে হবে।
উল্লেখ্য, চূড়ান্ত বার্তা শিটে অবশ্যই রিটার্নিং অফিসারের স্বাক্ষর থাকতে হবে এবং তা RMS (Result Management System)-এ আপলোড করতে হবে। বিশেষ প্রয়োজনে রিটার্নিং অফিসারের অনুপস্থিতিতে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আংশিক ফলাফলে স্বাক্ষর করতে পারবেন, তবে তাদের নমুনা স্বাক্ষর আগেভাগেই ইসিতে জমা দিতে হবে।