জাহিদ হাসান,কাহালু(বগুড়া)প্রতিনিধি :
বগুড়ার কাহালু উপজেলা মৎস্যজীবী লীগের যুগ্ন আহবায়ক নজরুল ইসলাম জুয়েল এর উপর হামলার প্রতিবাদ সভা করেন কাহালু উপজেলা মৎস্যজীবী লীগ।
গত ১৮ এপ্রিল তরমুজ ক্রয় বিক্রয় কে কেন্দ্র করে মৎস্যজীবী লীগ নেতা জুয়েল এর উপর যে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটে তাকে কেন্দ্র করে সোমবার (৩ মে) ইফতারের পূর্ব মুহুর্তে এক প্রতিবাদ সভা ও ইফতারের আয়োজন করা হয়।
এ সভায় মৎস্যজীবী লীগ সহ আওয়ামী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতা কর্মী বক্তব্য রাখেন। প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক জনাব মুনসুর রহমান মুন্নু, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাহালু উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব আব্দুল মান্নান। উক্ত সভার সভাপতিত্ব করেন জনাব মনিরুল ইসলাম মিলন, সদস্য সচিব, কাহালু উপজেলা মৎস্যজীবী লীগ।
প্রতিবাদ সভায় বিভিন্ন বক্তা তাদের বক্তব্যে জুয়েলের উপর নৃশংস হামলার প্রতিবাদ ও হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায়। তারা তাদের বক্তব্যে বলেন মামলা হওয়ার পরেও আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও তাদের আটক করা হচ্ছে না। যদি আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করা না হয় তাহলে পরবর্তীতে রাজপথে তীব্র আন্দোলন করা হবে। তারা তাদের বক্তব্যে কাহালু থানার পুলিশ বাহিনীকে দ্রুত আসামি ধরার আহবান জানিয়েছে।
উক্ত প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন জনাব পি এম বেলাল, ডা. আব্দুল হাকিম, আব্দুল হান্নান, সফিক রহমান, মেহেদী হাসান রাজীব, অঞ্জন কুমার, আরাফাত রহমান, শাহীন ফকির, সেলিম, সাইদুল, রাজন, রাগীব, রাবু, বায়েজিদ সহ আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, সেসেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগ, তাঁতি লীগের বিভিন্ন স্তরের নেতা কর্মী।
এদিকে মামলার আই ও কাহালু থানার এস আই খোকন চন্দ্র ভৌমিক জানান আসামিদের ধরার বেপারে আমি কোন অবহেলা করছি না৷ আমি প্রতিনিয়ত আসামিদের বাড়িতে যাই এবং কঠোর নজরদারি করি। তবে এখনো আসামি আটক না হওয়ার কারন জানতে চাইলে তিনি বলেন, আসামিরা ঘটনার পর থেকেই লাপাত্তা তাদের কাহালুতে দেখা যায় না, প্রাথমিক ভাবে ধারনা করছেন তারা অন্য কোনো জায়গায় আত্নগোপন করে আছে তবে কাহালুতে থাকলে এতোদিনে ধরা পরতো । কাহালুর বিভিন্ন জায়গায় আমাদের পুলিশ বাহিনী নজর রেখেছে তাদের দেখা মাত্রই গ্রেফতার করা হবে।