সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান অতি শিগগির ছাত্র-শিক্ষক প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসবেন। আজ সোমবার সন্ধ্যায় আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কোটা
ইন্ডিয়া টুডের নিবন্ধ বাংলাদেশে একপ্রকার নৈরাজ্য চলছে। নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠা সহিংসতায় রবিবার কমপক্ষে ৮৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন জেলায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কার্যালয় জ্বালিয়ে দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা
আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছয় সমন্বয়কসহ ডিবিতে আটক অন্যদের নিঃশর্ত মুক্তি দেয়া না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিশিষ্ট নাগরিকরা। মঙ্গলবার দুপুরে ডিআরইউ সাগর-রুনি মিলনায়তনে ‘হত্যা,
এর বিচার হওয়া উচিত কোটা সংস্কার আন্দোলনে গুলি চালিয়ে সরকার ফৌজদারি অপরাধ করেছে। এর বিচার হওয়া উচিত বলে মনে করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরা। সোমবার সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে ‘আইনজীবী সমাজ’র ব্যানারে
হাইকোর্টের উষ্মা কোটা সংস্কার আন্দোলনের ছয় সমন্বয়ককে ডিবি কার্যালয়ে তুলে নিয়ে গিয়ে তাদের খাওয়ানোর ছবি প্রকাশ করাকে জাতির সঙ্গে ‘মশকরা’ বলে মন্তব্য করেছেন হাইকোর্ট। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আটক ছয়জন সমন্বয়ককে
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা বন্ধে সহিংসতায় জড়িতদের খুঁজে বের করে উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। কোটা আন্দোলনের সহিংসতায় আহতরা যে দলেরই হোক, চিকিৎসার দায়িত্ব নেয়ার
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সংকট উত্তরণের জন্য জনগণের ম্যান্ডেট দিয়ে গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনার জন্য স্বল্প সময়ে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পক্ষে মত দিয়েছেন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস। শুক্রবার ভারতের দ্য হিন্দু পত্রিকায় প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে
নাহিদ ইসলামসহ কোটা সংস্কার আন্দোলনের তিন সমন্বয়ককে রাজধানীর গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতাল থেকে তুলে নিয়ে গেছেন সাদাপোশাকের এক দল ব্যক্তি। তাঁরা নিজেদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য পরিচয় দিয়েছেন বলে সেখানে উপস্থিত
বিকেল ৪টা পর্যন্ত কোথাও বড় ধরণের বিক্ষোভের সংবাদ না পাওয়া গেলেও বিভিন্ন অলিগলিতে বিক্ষোভকারীদের দেখা গেছে। বড় বড় সড়কে জনসমাগম তেমন ছিল না কারফিউ এর কারণে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত
ঢাকা শহরে গত কয়েকদিনে আইন শৃংখলাবাহিনী ও ছাত্রলীগ, যুবলীগের হামলায় কত মানুষ মারা গিয়েছে তার কোনো হিসাব নেই। বিভিন্ন হাসপাতালের মৃতদেহ তালিকাভূক্ত করার খাতা নিয়ে গেছে আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা,